করোনা ভাইরাসের টীকা বা ভ্যাকসিন প্রথম ভারতই আবিস্কার করবে

করোনা ভাইরাসের টীকা বা ভ্যাকসিন প্রথম ভারতই আবিস্কার করবে

ভারতবর্ষ প্রাচীন কাল থেকেই বিজ্ঞান, দর্শন, গনিত, জৌতিষবিদ্যা, আয়ুর্বেদ, ভূগোল, শিল্পকলা, নৃত্য, সঙ্গীতজ্ঞে উন্নত ছিল, তবুও আমাদেরকে মূর্খের দেশ হিসাবে দেখানে হয় আমাদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য । প্রথমে মুসলিম ও ইংরেজরা আমাদের ইতিহাসকে ধংস করে আমাদের গোলাম বানিয়েছিলো তারপর বামপন্থী-কংগ্রেসীরা এসে আমাদের গোলাম বানিয়েছে, যে মানুষেরা আজও গো-গঙ্গা-গায়ত্রীকে পবিত্র মনে করে, গীতাকে জীবনের দর্শন হিসাবে শ্রদ্ধা করে, বটবৃক্ষকে জল দিয়ে পুজো করে, মন্দিরে মন্দিরে প্রনাম করে, নিরামিষ আহার করে তাদেরকে বর্তমান সমাজের উন্নত ও প্রগতিশীল মানুষেরা মূর্খ বলে এবং ব্যাকডেটেট গাঁইয়া বলে টিটকিরি করে।

আচ্ছা, আমাদের পূর্বপুরুষরা কি বোকা ছিলো? 

আমাদের পূর্বপুরুষরা কি বিজ্ঞান জানতো না? 

প্রথম কথা হল ভারতের হিন্দুদের জীবন শৈলীটাই বিজ্ঞান দিয়ে তৈরী, যেগুলোকে আমরা কুসংস্কার বলে থাকি । আজ বিশ্বজুড়ে করোনা নামক ভাইরাস মহামারির রূপ ধারন করেছে, টীকা বা ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত আবিস্কার করতে পারেনি কোনো দেশ, ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বজুড়ে। অপেক্ষা করুন এই করোনা ভাইরাসের টীকা বা ভ্যাকসিন প্রথম ভারতই আবিস্কার করবে আর সেটা হবে হিন্দুদের কোনো একটি বিশ্বাসের জিনিস থেকেই, সেটা তুলসী গাছও হতে পারে কিংবা গো-মূত্র, এখন হয়তো এটা পড়ে অনেকেই হাসতে পারেন কিন্ত কয়েকদিন অপেক্ষা করুন তাহলেই বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে সকলের কাছে, গোটা বিশ্ব আজকে নমস্কার করছে করোনার ভয়ে, যারা মৃত মানুষকে কবর দিতো তারা আজ দাহ করছে, আমরা প্রকৃতিকে পুজো করতাম পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার জন্যই যেটাকে অনেকে কুসংস্কার বলত আর আজ বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সব দেশ বৃক্ষরোপন করতে বলছে।

মন্দির ঘন্টার ধ্বনি, ঔঁ নাম, প্রদীপের আলো, তুলসী গাছকে পুজো, বটবৃক্ষে জল দান, দোলের রং সবকিছুতেই জড়িয়ে আছে বিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য যেগুলো উন্নতশীল দেশেরা জানলেও ভারতকে অন্ধকারে রাখার জন্যই এগুলিকে কুসংস্কার বলে প্রচার করা হয়েছে, সব জল রেখে দিলে পোকা হয় কিন্ত গঙ্গার জলে পোকা হয় না কেন বলতে পারেন? হিন্দুদের প্রতিটি তীর্থস্থানে কোন না কোনো আশ্চর্য জিনিস দেখা যায় যেটা অন্য ধর্মের তীর্থস্থানে দেখা যায় না কেন? 

হিন্দুদের প্রতিটি উৎসবের পিছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞান, আর্যভট্ট কয়েক হাজার বছর আগে পৃথিবী থেকে সূর্যের দুরত্ব কত সেটা বলে গেছিলেন, তুলসীদাসও হনুমান চালিশার একটি লাইন "যুগ সহস্র যোজন পর ভানু, লিল্যো তাহি মধুর ফল জানু" লিখে সূর্য আর পৃথিবীর দুরত্ব কত সেটা নিঁখুত হিসাব করে বলে দিয়ে গেছেন সুতরাং বুঝতেই পারছেন আমার সংস্কৃতি কতটা উন্নত, যদি বখতিয়ার খিলজী নালন্দা ধংস না করত, যদি তক্ষশীলা না ধংস হত তাহলে ভারতবর্ষ কতটা শক্তিশালী আর কতটা উন্নত হত সেটা কল্পনাও করতে পারতেন না। অপেক্ষা করুন এই জন্মেই হয়তো আমরা ভারতবর্ষকে জগৎ শ্রেষ্ঠ দেখে যাবো, কারন ভারতবর্ষের সংস্কৃতি, সনাতন ধর্মের মহিমাকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পেয়েছি, কংগ্রেস রাম কে কাল্পনিক বলেছিলো কিন্ত নরেন্দ্র মোদী এসে রামন্দির বানিয়ে হিন্দুদের মর্যাদাকে রক্ষা করল।

আমাদের ধর্মের ৪ টি বেদ, ৬ টি শাস্ত্র, ১৮ টি পুরান, ১০৮ টি উপনিষদ আছে, সেগুলির প্রতিটি পাতায় পাতায় লুকিয়ে আছে বিজ্ঞান, ভূগোল, দর্শন, যেগুলোকে কুসংস্কার বলে আমরা কোনদিন দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে পারিনি।