বাম পতনের শব্দ হয়

বাম পতনের শব্দ হয়
অনুপ্রবেশকারীদের কাছে কি মানবাধিকারের ছুতোয় বিকিয়ে গেছে ভারত দেশটা? জেফ বেজোসদের কোটি কোটি টাকা তার কাজ শুরু করে দিয়েছে? লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি আরব অনুপ্রবেশকারী বাংলা ও অসমে ঢুকে কীভাবে ভূমিপুত্রদের ভাতে মারছে, দেশের নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করছে তা আমরা সকলেই জানি। সেই ঘটনারই আরো একটি বহিঃপ্রকাশ বে-আইনি অনুপ্রবেশকারী ফেলানি খাতুনের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর কারণে কর্তব্যপরায়ণ বিএসএফ জওয়ানকে আদালতে অপরাধী করে দাঁড় করানোর মানবাধিকারওয়ালাদের চক্রান্ত।
যে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি ছংখ্যাগুরু অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়ে আজ ধুঁকছে বাংলা ও অসম সহ গোটা দেশের অর্থনীতি তাদেরই একজন জনাব নূর ইসলাম। শুধু যে জনাব নূর নিজে বাংলাদেশি হয়ে বে আইনি ভাবে ভারতে ঢুকেছেন তাই নয়, অনুপ্রবেশকারী জনাব নূর অসমের বঙ্গাইগাঁও এলাকায় বৈধ ভারতীয় দোকানদের ভাতে ভাগ বসাতে দোকান বানিয়েছেন, বিদেশি নাগরিক হয়েও বিনা পারমিটে বিনা ট্যাক্সে ব্যবসা করে লক্ষ লক্ষ টাকার মুনাফা লুটেছেন ভারতীয়দের থেকে। সেই টাকা পাচার হয়ে গেছে ইসলামি রাষ্ট্র বাংলাদেশে। এখানেই শেষ নয়, জনাব নূর নিজের বাংলাদেশি সন্তান ফেলানি খাতুনকে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন অসমের স্কুলে। অনুপ্রবেশকারী জনাব নূর আর অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ফেলানি খাতুনের জন্য স্কুলশিক্ষা বঞ্চিত হয়েছে অসমের একজন ভারতীয় শিশু, খদ্দের হারিয়েছে ভারতীয় দোকানদারেরা। এই ঘটনাতেই আমরা বুঝতে পারি, ২০০৪ সালে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায় দিতে গিয়ে পর্যবেক্ষণ, "নমনি অসমে জনবিন্যাস অনুপ্রবেশের জন্য এতটাই বদলে যাচ্ছে যে ভবিষ্যতে ওই অঞ্চল ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে", কতখানি সঠিক ছিল।
দাদাভাই নৌরজী আমাদের দেখিয়েছিলেন সম্পদের নিঃসরণের তত্ত্ব। আজও অনুপ্রবেশকারী জনাব নূর ইসলামদের হাত ধরে ভারত থেকে বাংলাদেশে এভাবেই পাচার হয়ে যায় কোটি কোটি টাকা। ভারতীয়রা না খেয়ে ধুঁকে মরে পশ্চিমবঙ্গের আমলাশোল বা উত্তরপূর্বের হতদরিদ্র এলাকাগুলিতে, আর তাদের রক্ত শোষা টাকায় বাংলাদেশের পাড়ায় পাড়ায় তৈরি হয় টাইলস বসানো, মিনার সাজানো অভ্রংলিহ আরব সাম্রাজ্যবাদী কাঠামো। এভাবেই একবার ভারতের সম্পদ শোষণ করে লুঠেরা অনুপ্রবেশকারী জনাব নূর অনুপ্রবেশকারী ফেলানি খাতুনকে নিয়ে নিজের রাষ্ট্র বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছিলেন, ভারতীয়দের রক্ত শুষে আয় করা মুনাফার টাকায় রাজার হালে বিয়ে দিতে। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ফেলানি খাতুন অসমে থাকলেও বিয়ের জন্য বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছিল, এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায় অহোরাত্র ভারতের রক্ত শুষলেও এদের মন পড়ে আছে মদিনা সনদের রাষ্ট্র বাংলাদেশেই।
২০১১ সালে অনুপ্রবেশকারী জনাব নূর যখন অনুপ্রবেশকারী ফেলানি খাতুনের সাথে চোরের মত রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে সীমান্ত পেরোচ্ছিল তখন তাদের চ্যালেঞ্জ করেন বিএসএফের কর্তব্যনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক জওয়ানরা। সিমি, লস্কর, ইণ্ডিয়ান মুজাহিদিনের আক্রমণে জর্জরিত ভারতের সীমান্তরক্ষীদের এটুকু সতর্কতা নেওয়া ছাড়া উপায়ও ছিল না। আত্মসমর্পন না করে অনুপ্রবেশকারী নূর পালিয়ে গেলেও সীমান্তরক্ষীদের থেকে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনাক্রমে গুলি লেগে মৃত্যু হয় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ফেলানি খাতুনের। সেই ঘটনা নিয়ে সৌদি আরব থেকে পাঠানো কোটি কোটি টাকা খরচ করে শুরু হয় ভারতবিরোধী প্রচার।
এমন লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী নূর আর অনুপ্রবেশকারী ফেলানি খাতুনদের হাত থেকে ভারতকে বাঁচাতে ও অকারণ রক্তক্ষয় এড়াতে অবিলম্বে সিএএ-এনয়ারসি চাই। কর্তব্যপরায়ণ বিএসএফ কর্মীদের অবিলম্বে রাষ্ট্রের তরফে পুরস্কৃত করা হোক।